স্কুল অব লিডারশিপের প্রতিষ্ঠাতা ও বরেণ্য সংগঠক ড. নয়ন বাংগালী সমাজ কর্মভিত্তিক রাজনীতির অপরিহার্যতা নিয়ে আবারও সরব হয়েছেন। তার সাম্প্রতিক ফেসবুক পোস্ট সে কথাই বলছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ড. নয়ন বাংগালী লিখেছেন, Political social work এর কথা বলে আসছি ১৯৮৮ সাল থেকে - যখন বন্যায় দেশ ভাসছিল। দেশের রাজনীতিবিদরা আমাকে পাত্তা দেয়নি। আমি বলেছিলাম আমাদের ছাত্রসমাজ আর যুবসমাজদের রাজনীতির ফাঁদে ফেলে বেকার আর নষ্ট করবেন না কিসের ছাত্রদলের কর্মী আর কিসের যুবদলের কর্মী ??? দিনরাত পার্টি অফিস আর বেকার মাতবরি …. দিনশেষে কোনো নষ্ট বড় ভাইয়ের তাঁবেদার হয়ে - টেন্ডারবাজী বা চাঁদাবাজের খপ্পরে পড়ে দিনযাপন আর সুখের ঢেকুর গেলা।
এরপর তিনি লিখেছেন, চীনের ঘরে ঘরে নেতা নাই - শিল্প কারখানা আছে। ইউএসএ তে গত ৮ বছর কথা বলেছি এবং আমি নিশ্চিত তারা যেভাবে এই বিষয়ে মাঠে নামছে ….আগামী দিনের রাজনীতিবিদ হতে যাচ্ছে অধিকাংশই সমাজকর্মী- যদিও ওদের প্রয়োজন নেই কারণ এমনিতেই তাদের রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যে যথেষ্ট গুণগত মান রয়েছে এক ডোনাল্ড ট্রাম্প ছাড়া।
নয়ন বাংগালী আরও লিখেছেন, আমার শেয়ার করা সংযুক্ত সার্টিফিকেটগুলো দেখেন - সেটা ডিগ্রি বা নিজের প্রচারের জন্য শেয়ার করি নাই এবং জাহির করা নয়। স্যাম্পল হিসেবে বোঝানোর জন্য - একটি ইউনিভার্সিটি অব মিশিগান (সেরা বিশ্ববিদ্যালয় এর একটি ) UCONN এ একটি Nancy Institute of Social Work Politics এরকম অনেক উদাহরণ। বই দেখেন — কত বই , গবেষণা, আর্টিকেল এবং স্টাডি সার্কেল শুরু করে দিয়েছে - আমি জানি এখানে আমরা ইতিহাস গড়তে পারবো না - রাজনীতি আমেরিকানরা শেখাতে চায় কারণ তারা এই একটি জায়গায় খুবই টনটনে।
তিনি আরও লিখেছেন, বাংলাদেশে একটি শ্রেণি সামাজিক ব্যবসার কথা বলছে যা পুরোটাই আনরিয়ালেসটিক। কারণ No profit no loss মানেই খামাখা বাংলাদেশ। আর আমার কনসেপ্ট কাগজে নাই কাজে আছে। ১ কোটি রাজনীতি করা যুবক সমাজ বদলে দিবে। আমার কথা এখনো কেউ শুনছে না - ১০ বছর পর বেঁচে যদি নাও থাকি তবে নিশ্চিত বলতে পারবো - সমাজ কর্মভিত্তিক রাজনীতির তীর্থস্থান হবে আমার বাংলাদেশ।
এভাবেই নিজের চিন্তা জগতকে উন্মোচন করেছেন ড. নয়ন বাংগালী। যার সঙ্গে ওতপ্রোত জড়িত বাংলাদেশের তৃণমূল জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন। নতুন চিন্তা ও উদ্দীপনায় অনেকে অপেক্ষায় এই মানুষটির দেশে ফেরা নিয়ে। সক্রিয়তার চূড়ান্ত প্রয়োগে যে ফেরা নতুন দিনের স্বপ্ন দেখাচ্ছে বাস্তব ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে।
শুভ কামনা ড. নয়ন বাংগালী!